১. প্রবাহের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক মান পরিমাপ করে ডেটাতে লিপিবদ্ধ করা যায় এবং ফ্লো মিটারটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কিউমুল্যান্ট সংরক্ষণ করে, যা পরিমাপকৃত প্রবাহের মোট কিউমুল্যান্টের নির্ভুলতা নিশ্চিত করে।
২. যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন ধরনের কমিউনিকেশন প্রোটোকল বেছে নেওয়া যায়, যেমন— ৪-২০mA, পালস, রিলে, RS485, Modbus, M-bus, Hart, ব্যাচ কন্ট্রোলার ইত্যাদি। এই প্রোটোকলগুলোর মাধ্যমে পিসি বা ক্লাউডে ডেটা পাঠিয়ে ইন্টারনেট অফ থিংস অর্জন করা যায়। বিভিন্ন পরিবেশগত অবস্থার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কমিউনিকেশন প্রোটোকল প্রযোজ্য।
৩. রক্ষণাবেক্ষণ পরিদর্শনের সময় পরিদর্শন পাইপলাইনের ডেটা এক্সপোর্ট করা যায়, যার মধ্যে পরিমাপের সময়, প্রবাহের হার, ধনাত্মক ও ঋণাত্মক মোট সঞ্চিত পরিমাণ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এটি ১ সেকেন্ডের ব্যবধানে এক্সপোর্ট করার জন্য সেট করা যায়, যা পাইপলাইন পরিদর্শন কাজের জন্য উপযুক্ত।
৪. ইনস্টলেশন নির্বাচনের ক্ষেত্রে এক্সটার্নাল ক্লিপ, পাইপ সেগমেন্ট এবং ইনসার্ট টাইপ বেছে নেওয়া যায়, কারণ ভিন্ন ভিন্ন কাজের পরিবেশের জন্য বিভিন্ন ইনস্টলেশন পদ্ধতির প্রয়োজন হয়।
৫. পরিমাপক যন্ত্রে অপরিবাহী তরল এবং ক্ষয়কারী তরল পরিমাপ করা যায়, এবং বাহ্যিকভাবে আটকানো আলট্রাসনিক ফ্লোমিটারের নির্বাচন পাইপলাইনের কোনো ক্ষতি করে না, এবং পরবর্তী পর্যায়ে পাইপলাইন ফুটো হওয়ার কারণ হয় না।
পোস্ট করার সময়: ২৪-জুলাই-২০২৪